1. admin@protidinshikhsha.com : protidinshiksha.com :
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০, ১২:৩২ অপরাহ্ন

দুর্ভোগ বেসরকারি শিক্ষকদের জন্য

  • প্রকাশিত সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২০
  • ১০৭২ বার পড়া হয়েছে

শিক্ষা ডেস্কঃ দুর্ভোগ সেই সকল মেধাবী শিক্ষকদের জন্য,

যারা এনটিআরসিএর মাধ্যমে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় মাদরাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ পাওয়ার এক বছরের বেশি সময় পার হলেও এমপিওভুক্ত হতে পারছেন না নবসৃষ্ট পদে কয়েকশ নিবন্ধিত শিক্ষক।

মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর নবসৃষ্ট, প্যাটার্ন বহির্ভূত, ৬ মাসের কম্পিউটার এর সমস্যা সমাধান করে মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগ থেকে আলাদা পরিপত্র জারি করলেও মাদ্রাসা ও কারিগরি বিভাগ থেকে শুধুমাত্র প্যাটার্ন বহির্ভূত, মহিলা কোঠা ও ৬ মাসের কম্পিউটার বিষয়ে আলাদা ২ টি পরিপত্র জারি করা হলেও নবসৃষ্ট পদের জন্য কোন আদেশ জারি করা হয়নি।

ফলে নবসৃষ্ট পদে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের ফাইল আটকে আছে জেলা শিক্ষা অফিস কার্যালয়ে।

ভুক্তোভোগি শিক্ষকরা জেলা শিক্ষা অফিস, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর এমনকি মাদ্রাসা ও কারিগরি বিভাগে ধরনা ধরলেও কোন সমাধান মেলেনি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নতুন এমপিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামো অনুসারে নবসৃষ্ট ৪৩টি ক্যাটাগরির ৫৬টি পদের নিয়োগের আদেশ জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করে গত বছরের ডিসেম্বরে। পর্যায়ক্রমে ২০১৯-২০ অর্থবছর থেকে ২০২২-২৩ অর্থবছরে এ ৪৩টি পদে নিয়োগের আদেশ জারি করা হয়।

এনটিআরসিএর দ্বিতীয় চক্রে নিয়োগ সুপারিশ পাওয়া আট শতাধিক প্রার্থী এমপিওভুক্ত হতে পারছিলেন না মুলত ভুল তথ্য দেয়া শূন্যপদে নিয়োগ সুপারিশ, মহিলা কোটা, নবসৃষ্ট পদ, প্যাটার্ন বহিভূর্ত পদে নিয়োগ সুপারিশ সর্বোপরি ভুল তথ্য দেয়া শূন্যপদে নিয়োগ সুপারিশ পাওয়ায় এ জটিলতা সৃষ্টি হয়।

পরবর্তীতে দীর্ঘ অপেক্ষার পর গত ৯ জুন তাদের সকলের জটিলতা নিরসনে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সে সিদ্ধান্তের আলোকে নবসৃষ্ট পদ এবং মহিলা কোটার সমস্যায় এমপিওবঞ্চিত শিক্ষকদের জটিলতা নিরসনের আদেশ জারি করা হয় মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে।

এদিকে মাদ্রাসা ও কারিগরি বিভাগ থেকে শুধুমাত্র প্যাটার্ন বহিভুত, মহিলা কোঠা ও ৬ মাসের কমিম্পিউটার বিষয়ে আলাদা ২ টি পরিপত্র জারি করা হলেও নবসৃষ্ট পদের জন্য কোন পরিপত্র জারি না করায় এমপিও জটিলতা নিরসন হয়নি নবসৃষ্ট পদে নিয়োগ পাওয়া মাদরাসা শিক্ষকদের।

ভুক্তোভোগি একাধিক শিক্ষকের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বার বার তারা শিক্ষা অফিসের সাথে যোগাযোগ করেও এর কোন সমাধান পাননি।

তারা বলছেন, এনটিআরসিএর মাধ্যমে আমরা আমাদের মেধার যোগ্যতায় নিয়োগ পেয়েছি। কিন্তু আজ পর্যন্ত এই জটিলতায় আমাদের বেতন ভাতা আসেনি। এর দায় আমরা কেন নেব?

তারা আরও বলেন, এনটিআরসিএর মাধ্যমে সর্বোচ্চ মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে শিক্ষকতায় এমপিওর সুপারিশ প্রাপ্ত হয়ে যোগদান করি কিন্তু প্রতিষ্ঠানের ভুলের কারণে আমাদের পদগুলো ২০১৮ সালের নীতিমালা অনুযায়ী নবসৃষ্ট হওয়ায় এবং অর্থবছরের আগে যোগদান করায় এমপিওর জন্য আবেদন করেও আমরা এমপিও বঞ্চিত হচ্ছি।

উক্ত সমস্যার কথা উল্লেখ করে আমরা এনটিআরসিএ ও মাদরাসা অধিদপ্তরে অভিযোগ দাখিল করেছি।

কিন্তু একই সমস্যায় চলতি বছরের ২৬ জুলাই শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ মাধ্যমিক ও নিম্ম মাধ্যমিক শাখায় নব সৃষ্ট পদের সমস্যা সমাধানে আদেশ জারি করেন।

কিন্তু কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ থেকে এখনও এ বিষয়ে কোন আদেশ জারি না করায় আমরা এমপিও বঞ্চিত হচ্ছি।

মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ জিয়াউল আহসান জানান, এ বিষয়ে অধিদপ্তর কাজ করছে আশা করি দ্রুতই সমস্যা সমাধান হবে।

এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদারাসা শিক্ষা বিভাগের (এমপিও) উপসচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান ভূইয়া বলেন, আমরা মাদারাসা শিক্ষা অধিদপ্তরকে বলেছি এ বিষয়ে দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে।

মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে আমরা চিঠি পেয়েছি খুব দ্রুতই এ সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা করি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
২০২০ প্রতিদিন শিক্ষা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় মাল্টিকেয়ার

প্রযুক্তি সহায়তায় মাল্টিকেয়ার