1. admin@protidinshikhsha.com : protidinshiksha.com :
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০, ০৬:০২ পূর্বাহ্ন

আলোচিত ডা. সাবরিনার দুটি জাতীয় পরিচয় পত্র, আবারও প্রশ্নের মুখে ইসি

  • প্রকাশিত বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২০
  • ১০৮ বার পড়া হয়েছে

শিক্ষা ডেস্কঃ (COVID-19) পরীক্ষা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া আলোচিত জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা চৌধুরীকে দুটি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) দেওয়া, দ্বৈত ভোটার হওয়া এবং দুটি পরিচয়পত্রই কার্যকর থাকা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েছে নির্বাচন কমিশনের সংশ্লিষ্ট শাখা। বিব্রত নির্বাচন কমিশনও (ইসি)।

সাবরিনার আগে করোনা পরীক্ষা নিয়ে অপকর্মের দায়ে গ্রেপ্তার রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদ করিমেরও এনআইডি জালিয়াতির তথ্য পাওয়া যায়।

মিথ্যা তথ্যের মাধ্যমে তাঁর এনআইডি সংশোধন করা হয়। এ ছাড়া টাকার বিনিময়ে মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের ভোটার বানানো এবং তাদের এনআইডি দেওয়ারও ব্যাপক অভিযোগ রয়েছে।

তদন্তে জানা যায়, ইসির কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশে এ ধরনের অপরাধ দীর্ঘদিন ধরেই ঘটে চলছে।

ডা. সাবরিনা চৌধুরী দুটি এনআইডি কিভাবে করাতে পারলেন—এই প্রশ্নে ইসির সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর গতকাল বুধবার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চিঠি আমরা পেয়েছি।

জাতীয় পরিচয়পত্রের বিষয়টি দেখে কমিশনের জাতীয় পরিচয়পত্র অনুবিভাগ। আমরা সেই বিভাগকে দুদকের চিঠির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানাতে বলেছি।

তারা দ্রুত প্রতিবেদন দেবে। তারপর এ বিষয়ে আমরা বিস্তারিত জানাতে পারব।

তবে দ্বৈত ভোটারের বিষয়টি যদি প্রমাণিত হয় এবং এর সঙ্গে এনআইডি বিভাগের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাঁদের বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা নেব।’

দুদকের চিঠিতে বলা হয়, ডা. সাবরিনা ২০১৬ সালে ভোটার তালিকা হালনাগাদের সময় দ্বিতীয়বার ভোটার হন। একটিতে ভোটার হন সাবরীনা শারমিন হোসেন নামে। সে সময় জন্ম তারিখ উল্লেখ করা হয় ১৯৭৮ সালের ২ ডিসেম্বর।

অন্যটিতে ১৯৮৩ সালের ২ ডিসেম্বর। তিনি দুটি এনআইডিই গ্রহণ করেন। তিনি একটিতে স্বামীর নাম হিসেবে ব্যবহার করেছেন আর. এইচ. হক।

আর দ্বিতীয়টিতে স্বামীর নাম লেখা হয়েছে আরিফুল চৌধুরী। একটিতে বাবার নাম সৈয়দ মুশাররফ হোসেন ও মায়ের নাম কিশোয়ার জেসমীন।

অন্যটিতে মা-বাবার নাম কিছুটা পরিবর্তন করে সৈয়দ মুশাররফ হোসেন ও জেসমিন হুসেন উল্লেখ করেছেন।

একটিতে মোহাম্মদপুরের পিসিকালচার হাউজিং সোসাইটির ঠিকানা এবং অন্যটিতে বাড্ডা এলাকার প্রগতি সরণির আনোয়ার ল্যান্ডমার্কের ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছে।

ভুল তথ্য দিয়ে এনআইডি সংশোধনের জন্য এর আগে সাহেদ করিমের এনআইডি স্থগিত করে ইসি। তিনি নিজের নাম সংশোধন করে ‘সাহেদ করিম’ থেকে হন ‘মোহাম্মদ সাহেদ’।

মিথ্যা তথ্য দিয়ে এ কাজ করেন তিনি। বর্তমানে সে বিষয়টির তদন্ত চলছে। এদিকে ভুয়া করোনার রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগে গত ৫ আগস্ট জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরীসহ আটজনের বিরুদ্ধে ঢাকার সিএমএম আদালতে অভিযোগপত্র দেয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।

আদালত সাবরিনা, আরিফুলসহ আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ২০ আগস্ট।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, করোনা জালিয়াতিতে প্রধান ভূমিকা পালন করেন জেকেজির সাবরিনা ও তাঁর স্বামী জেকেজির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুল হক চৌধুরী।

অভিযোগপত্রভুক্ত অন্য ছয় আসামি হলেন জেকেজির সমন্বয়ক সাঈদ চৌধুরী, সাবেক কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির, তাঁর স্ত্রী তানজিনা পাটোয়ারী, বিপ্লব দাস, শফিকুল ইসলাম ও জেবুন্নেসা। মামুনুর রশীদ নামের একজনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
২০২০ প্রতিদিন শিক্ষা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় মাল্টিকেয়ার

প্রযুক্তি সহায়তায় মাল্টিকেয়ার