1. admin@protidinshikhsha.com : protidinshiksha.com :
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:৫৯ অপরাহ্ন

যে কারণে স্থগিত হল মাদরাসার সহকারী গ্রন্থাগারিক নিয়োগ

  • প্রকাশিত শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৮২৫ বার পড়া হয়েছে

শিক্ষা ডেস্কঃ মাদ্রাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চলমান সহকারী গ্রন্থাগারিক নিয়োগ বন্ধে তিন মাসের স্থগিতাদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

একইসঙ্গে ২০১৮ সালের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) শিক্ষাগত যোগ্যতায় সমমান না রাখা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না মর্মে চার সপ্তাহের রুল জারি করেন হাইকোর্ট বেঞ্চ।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. ওবায়দুল হাসান এবং বিচারপতি এ.কে.এম জহিরুল হকের বেঞ্চ এই রুল জারি করে স্থগিতাদেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮’ -এর ৩৫ নম্বর কলামে উল্লিখিত ‘সহকারী গ্রন্থাগারিক’ পদের নিয়োগে শিক্ষাগত যোগ্যতায় শুধু ফাজিল বা আরবি বিষয়ে অনার্স ডিগ্রি এবং গ্রন্থাগার বিজ্ঞানে ডিপ্লোমা যোগ্যতা চাওয়া হয়।

ফলে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাধারণ বিষয়ে স্নাতক বা অনার্স পাস করা গ্রন্থাগার বিজ্ঞানে ডিপ্লোমাধারীরা নিয়োগ বঞ্চিত হন।

এ কারণে সাধারণ শিক্ষিত ডিপ্লোমাধারীদের পক্ষ থেকে উক্ত নীতিমালার বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে বরগুনার মো. আব্দুল আউয়াল, পটুয়াখালীর জি. এম. আমিনুল ইসলাম, জয়পুরহাটের আবু বক্কর সিদ্দিক, বরিশালের মো. জাহাঙ্গীর আলমসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ৪০ জন ডিপ্লোমাধারী হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করেন।

রিটে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদফতর ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সংশ্লিষ্ট চার জনকে বিবাদী করা হয়।

রিটে বাদী পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার সৈয়দ মো. জাহাঙ্গীর হোসেন।

ব্যারিস্টার সৈয়দ মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘রিটের শুনানি শেষে মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) মাদ্রাসায় সহকারী গ্রন্থাগারিক নিয়োগে শিক্ষাগত যোগ্যতায় সমমান না রাখা কেনো অবৈধ ঘোষণা করা হবে না মর্মে চার সপ্তাহের রুল জারি করেন হাই কোর্ট বেঞ্চ।

চলমান নিয়োগ প্রক্রিয়া তিন মাসের স্থগিত রাখার আদেশ দিয়েছেন আদালত।’

ভুক্তভোগীরা জানান, সহকারী গ্রন্থাগারিক পদটি একটি সার্বজনীন পদ। তাই এর নিয়োগে সমমান ছাড়া অন্য কোনো যোগ্যতা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

নীতিমালাতে শুধু মাদ্রাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ডিগ্রিধারীদের সুযোগ একটা বৈষম্যমূলক এবং পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্ত। এতে দেশের হাজার হাজার সাধারণ শিক্ষিতদের বঞ্চিত করা হয়েছে।

বিজ্ঞ আদালত আমাদের মামলার পক্ষে রুল দিয়েছেন এবং তিন মাসের স্থগিতাদেশ দেওয়ায় আমরা আশান্বিত।

আদালতের মাধ‌্যমে ভুক্তভোগীরা দ্রুত ন্যায্য দাবি ‘সমমান যোগ্যতা’ ফিরে পাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
২০২০ প্রতিদিন শিক্ষা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় মাল্টিকেয়ার

প্রযুক্তি সহায়তায় মাল্টিকেয়ার