1. admin@protidinshikhsha.com : protidinshiksha.com :
মঙ্গলবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২০, ০২:৫১ অপরাহ্ন

প্রাথমিক শিক্ষকদের যে নির্দেশ দেওয়া হলো

  • প্রকাশিত সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২০
  • ৪৭০ বার পড়া হয়েছে

শিক্ষা ডেস্কঃ করোনার এই দীর্ঘ ছুটির মধ্যে অসচ্ছল ও অসচেতন শিক্ষার্থীদের বাড়িতে গিয়ে খোঁজখবর নেয়াসহ পাঁচ নির্দেশনা দিয়েছেন শেরপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ডিপিইও)।

এ স্তরের শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় মনোনিবেশ করাতে এমন নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। এমন নির্দেশনায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন এ জেলার শিক্ষকরা।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রধান শিক্ষক শ্রেণিভিত্তিক তালিকা করে সহকারী শিক্ষকদের দায়িত্ব দেবেন।

শেরপুর জেলার অসচ্ছল, অসচেতন পরিবারের শিশুদের হোমভিজিট করে তাদের পড়ালেখায় মনোযোগী করতে হবে।

শিক্ষকদের নিজ ডায়েরিতে নিয়মিত ওই শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার অগ্রগতি লিপিবদ্ধ করে রাখতে হবে।

প্রধান শিক্ষক ও থানা শিক্ষা কর্মকর্তরা সাপ্তাহিকভাবে শিক্ষকদের কাজ তদারকি করে ডায়েরিতে স্বাক্ষর দেবেন।

ডিপিইও, উপজেলা দৈবচয়নের মাধ্যম যাচাই-বাছাই করে নিশ্চিত হবেন। প্রয়োজনে জেলা প্রশাসক ডায়েরি তলব করতে পারেন।

এসব নির্দেশনা মাঠ কর্মকর্তাদের মাধ্যমে শিক্ষকদের জানিয়ে দিতে বলা হয়। এমন নির্দেশনায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন শেরপুর জেলার শিক্ষকরা।

তারা জানান, যেখানে শিক্ষকদের বিদ্যালয়ে না যেতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর থেকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে, মোবাইল ফোনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

সেখানে ডিপিইও’র এমন নির্দেশনা তার পরিপন্থী বলে অভিযোগ করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শেরপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফেরদৌসি বেগম বলেন, সম্ভব হলে কাছাকাছি শিক্ষার্থীদের বাড়িতে গিয়ে খোঁজখবর নিয়ে পড়ালেখায় মনোযোগী করতে বলা হয়েছে।

অসচ্ছল ও অসচেতন পরিবারের শিক্ষার্থীরা টিভিতে, রেডিওতে ক্লাস করার সুযোগ পাচ্ছেন না, শিক্ষকদের ক্যাচমেন্ট এলাকার মধ্যে বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজখবর নিতে বলা হয়েছে।

তিনি বলেন, এটি বাধ্যতামূলক বা কোন নির্দেশনা জারি করা হয়নি।

শিক্ষকদের মধ্যে হয়তো ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছে। কারা অসন্তুষ্ট হয়েছে সেটি জানলে তাদের সঙ্গে কথা বলে সমাধান করা যেত। এটি একটি ঐচ্ছিক বিষয়।

এক কর্মকর্তা বলেন, দীর্ঘদিন শিশুরা স্কুল যেতে পারছে না। বাসায় বসে থেকে অসচ্ছল, অসচেতন পরিবারের সন্তানরা পড়ালেখা থেকে বিচ্ছন্ন হয়ে পড়ছে।

এতে যেন তাদের বাল্যবিয়ে না হয়, সে জন্য এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। কেউ যদি তা না করে তবে কারো কাছে জবাবদিহি করা হবে না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
২০২০ প্রতিদিন শিক্ষা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় মাল্টিকেয়ার

প্রযুক্তি সহায়তায় মাল্টিকেয়ার